কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১২:০৯ PM
কন্টেন্ট: পাতা
শিবালয় উপজেলা সমবায় অফিসের মাধ্যমে বর্তমানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলোর মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
শিবালয় উপজেলায় পরিচালিত প্রধান প্রকল্প ও কর্মসূচিগুলো নিচে দেওয়া হলো:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে এই প্রকল্পের আওতায় শিবালয় উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্পে (যেমন: উথলী বা তেওতা ইউনিয়নের আশ্রয়ণ কেন্দ্র) বসবাসরত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের নিয়ে সমবায় সমিতি গঠন করা হয়।
কার্যক্রম: সমবায়ীদের সঞ্চয় সংগ্রহ এবং ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা।
এটি সমবায় অধিদপ্তরের অন্যতম একটি বড় প্রকল্প। এর লক্ষ্য হলো একটি গ্রামে একটি মাত্র বহুমুখী সমবায় সমিতি গঠনের মাধ্যমে গ্রামের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসা।
শিবালয়ে প্রভাব: এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরি এবং সমন্বিত উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হয়।
শিবালয় ও এর আশেপাশের এলাকায় গবাদি পশু পালনের অনুকূল পরিবেশ থাকায় দুগ্ধ সমবায় সমিতিগুলোর মাধ্যমে গবাদি পশু ক্রয় ও পালনের জন্য কারিগরি সহায়তা ও ঋণ দেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদিত দুধ সরাসরি সমবায়ের মাধ্যমে বাজারজাত করা হয়।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিবালয় উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মহিলাদের গাভী পালনের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হয়, যাতে তারা দুগ্ধ উৎপাদনের মাধ্যমে আয়ের পথ তৈরি করতে পারে।
সমবায়ীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য উপজেলা সমবায় অফিস নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করে:
মৎস্য চাষ: পদ্মার তীরবর্তী হওয়ায় এখানে মৎস্যজীবী সমবায়ীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ থাকে।
কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণ: যুবক ও নারীদের স্বাবলম্বী করতে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
পুঁজি গঠন: সদস্যদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মাধ্যমে নিজস্ব মূলধন তৈরি।
ঋণ সুবিধা: মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত থেকে সমবায়ীদের রক্ষা করে সহজ শর্তে ঋণ নিশ্চিত করা।
নারীর ক্ষমতায়ন: সমবায় সমিতির মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা।